যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

স্বামীর যাবজ্জীবন, স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায়

স্বামীর যাবজ্জীবন, স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :
স্বামীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। এতে ৭ দিনের মধ্য অর্থ আদায় করে বাদীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বরগুনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

আসামির অনুপস্থিতে এ আদেশ দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার তালগাছিয়া-দেশান্তরকাঠী গ্রামের মুনসুর আলী ওরফে নয়া মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫২)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামির স্ত্রীর বাবা বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার সন্নাসী গ্রামের মুজিবর রহমান ২০০৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বেতাগী থানায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৮৭ সালে তার মেয়ে আসমা বেগমকে (৩৬) জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। তাদের সংসার জীবনে চার সন্তানের জন্ম হয়। জাহাঙ্গীর আলম যৌতুক লোভী হওয়ায় প্রায়ই বাদীর মেয়ে আসমাকে নির্যাতন করে যাচ্ছিল। এছাড়া আসামি পরনারীর প্রতি আসক্ত ছিল। এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্য সম্পর্কের অবনতি হয়। আসামি তার একই গ্রামের জনৈক বিধবা জাহানারার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে যায়।

বাদীর মেয়ে আসমা বেগম পরকীয়ার বিষয়টি জেনে যায়। এ নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে চরম অচলাবস্থা দেখা দেয়। ২০০৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার সময় আসামি জাহাঙ্গীর আলম তার বসত ঘরে বসে আড়ালে পরকীয়া প্রেমিক জাহানারার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে।

বাদীর মেয়ে আসমা দেখে প্রতিবাদ করে। এ সময় উভয়ের মধ্য বাকবিতণ্ডা হয়। জাহাঙ্গীর তার স্ত্রীর উপর চড়াও হয়ে ঘরের পিছনের বারান্দায় নিয়ে আসমাকে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত জখম করে। এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর আলম তার ঘর থেকে কেরোসিন এনে স্ত্রীর কাপড়ে ও শরীরে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আসমার ছোট মেয়ে আরিফা দেখে ডাক চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। এ ফাঁকে আসামি পালিয়ে যায়।

আগুনে আসমার ডান বাহু বুকের নিম্ন ভাগসহ শরীরের নিম্নাংশ পুড়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০৯ সালের ৫ মার্চ মারা যায় আসমা।

বাদী মামলার করার পরে তদন্ত করে ২০০৯ সালের ২০ জুন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করেন পুলিশ।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দ্রুত সময় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. নুরুল আমীন বলেন, আসামি ৮ বছর জেল হাজতে ছিল। হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক হয়েছে। আসামির আপিল করতে হলে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com